৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
spot_img
HomeUncategorizedদামুড়হুদায় বসতভিটার উঠান দখলের চেষ্টার অভিযোগ

দামুড়হুদায় বসতভিটার উঠান দখলের চেষ্টার অভিযোগ




দামুড়হুদা অফিস:

দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দহুদা গ্রামের কলুপাড়ায় পূর্ববিরোধের জেরে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় বসতভিটার উঠানের জমি তারকাঁটার বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দেয়ায় এক নারীকে মারধর, অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ এবং পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গত ১৮ আগস্ট সকালে গোবিন্দহুদা কলুপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দহুদা গ্রামের মৃত ফকির বিশ্বাসের ছেলে মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল ও একই গ্রামের মৃত ইলাম বিশ্বাসের ছেলে আশরাফুল ইসলাম ঝন্টুর মধ্যে বসতভিটার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে একটি পিটিশন মামলা বিচারাধীন। মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মনিরুজ্জামানের অভিযোগ, আদালতের ওই নির্দেশনা অমান্য করে গত ১৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আশরাফুল ইসলাম ঝন্টু, রানা বিশ্বাসের ছেলে আলামিন বিশ্বাস, খোকন বিশ্বাসের ছেলে শাকিল, আশরাফুল ইসলাম ঝন্টুর ছেলে রাকিব, মোলাম বিশ্বাসের মেয়ে বিউটি খাতুন, মিলন বিশ্বাসের স্ত্রী রশিদা খাতুন এবং রানা বিশ্বাসের স্ত্রী কবিতা খাতুন তার দীর্ঘ ৬০ থেকে ৬৫ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা নালিশি জমিতে প্রবেশ করেন। পরে তারা জোরপূর্বক তারকাঁটার বেড়া দিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই জমির মধ্যে গোসলখানা, বাথরুম, রান্নাঘর, সীমানাপ্রাচীর, সবজির বাগান ও বিভিন্ন ফলজ গাছ রয়েছে। তারকাঁটার বেড়া দেয়ার সময় মনিরুজ্জামানের স্ত্রী মনিরা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে মনিরা খাতুনকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত মনিরা খাতুনকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে তার চিকিৎসা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সাক্ষী হিসেবে গোবিন্দহুদা গ্রামের মফিজ উদ্দীনের স্ত্রী চম্পা খাতুন ও মৃত রুকচাঁদ মণ্ডলের ছেলে মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মনিরুজ্জামান অভিযোগে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিবাদীরা তার ও তার পরিবারের সদস্যদের যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন। এ কারণে তিনি পরিবারের নিরাপত্তা এবং বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেজবাহ্ উদ্দিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Share with