৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ
spot_img
Homeশিক্ষাউথলীতে ১১ শিক্ষার্থীকে সূর্য তোরণ ক্লাবের সংবর্ধনা

উথলীতে ১১ শিক্ষার্থীকে সূর্য তোরণ ক্লাবের সংবর্ধনা




উথলী প্রতিনিধি:

সাফল্যের স্বীকৃতি আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, আর সেই আত্মবিশ্বাসই ভবিষ্যতের বড় স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়। এমন প্রত্যয় থেকেই চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলীতে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১১ কৃতি শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দিয়েছে সূর্য তোরণ ক্লাব। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উথলী সূর্য তোরণ ক্লাবের হলরুমে স্থানীয় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব মেধাবী শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়ার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হয়।
এ বছর উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উথলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করা মোট ১১ শিক্ষার্থী এ সম্মাননা পায়। কৃতি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে তাঁদের অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজনেরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সূর্য তোরণ ক্লাবের সভাপতি মেজবাহ উদ্দীন জাহিদ। ক্লাবের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অমিত খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আহসানুল হক, ইউনুচ আলী, হাজী রবিউল হোসেন, আব্দুল মান্নান পিল্টু ও মোশাররফ হোসেন তেলা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উথলী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সূর্য তোরণ ক্লাবের সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হুসাইন, রুবেল আহম্মেদ সাঈদ, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জিল্লুর রহমান, অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক রানা হোসেন, সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক আহমদ সগীর, সদস্য মোশারেফ হোসেনসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্য।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি দিলে তাদের মধ্যে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা তৈরি হয়। একটি ভালো ফলাফল শুধু একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এর সঙ্গে পরিবার, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও গৌরব জড়িয়ে থাকে। তাই কৃতিত্ব অর্জনের পর থেমে না গিয়ে ভবিষ্যতের লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হলেও এটিই শেষ নয়। সামনে আরও বড় পথ। উচ্চশিক্ষার প্রতিটি ধাপে নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হয়। ভবিষ্যতে পড়াশোনা কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন সূর্য তোরণ ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। সংবর্ধনা পেয়ে কৃতি শিক্ষার্থীরা ও তাদের অভিভাবকেরা সূর্য তোরণ ক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি দিয়ে এ ধরনের আয়োজন শুধু কৃতীদের উৎসাহিত করে না, অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Share with