৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
spot_img
Homeএজিএম/ইজিএম নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় চার হাফেজকে পাগড়ি প্রদান ও দেয়া অনুষ্ঠিত

 নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় চার হাফেজকে পাগড়ি প্রদান ও দেয়া অনুষ্ঠিত




সরোজগঞ্জ প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় হিফয শাখার শিক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন হিফয সম্পন্ন করে হাফেজ হওয়া চার শিক্ষার্থীকে সম্মাননা হিসেবে পাগড়ি পরিয়ে দেয়া হয়। গতকাল সোমবার দুপুর ২টার দিকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বদরগঞ্জ বাকি বিল্লা কামিল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল জলিল হাওলাদার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আশাদুল হক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মামুন হাওলাদার, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাসুম বিল্লাহ হাওলাদার, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও কুতুবপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা খবির উদ্দিন, মহন আলী, আব্দুল কাদের লাল্টু, মহরম মুন্সি, আমিরুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান ফিটনসহ মাদ্রাসার শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ শাফায়েত ও মাওলানা মামুনসহ সংশ্লিষ্টরা হিফয শাখার শিক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ সময় পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা হিফয সম্পন্নকারী চার শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম, তামীম, মুজাহিদ ও সাইদুর রহমানকে সম্মাননা হিসেবে পাগড়ি প্রদান করা হয়। পাগড়ি প্রদান পর্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে কোরআন হিফযের সাধনা শেষে চার শিক্ষার্থীর এ অর্জনকে মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক ও উপস্থিত অতিথিরা গর্বের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা চার হাফেজকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, পবিত্র কোরআন হিফয করা নিঃসন্দেহে একটি মহৎ অর্জন। তবে কোরআন মুখস্থ করার পাশাপাশি এর শিক্ষা ও আদর্শ নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করাও গুরুত্বপূর্ণ। হাফেজদের ভবিষ্যৎ জীবনে দ্বীনের পথে চলার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিচালনা কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Share with