৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
spot_img
HomeUncategorizedচিকিৎসা চলকালিন সময়ে ভারতে দুই বন্ধুর মৃত্যু 

চিকিৎসা চলকালিন সময়ে ভারতে দুই বন্ধুর মৃত্যু 




দর্শনা অফিস:

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেলেন গাজীপুরের দুই বন্ধু। কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। পরে ভারতে তাদের সঙ্গে থাকা আরেক বন্ধু প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে লাশ দুটি দেশে ফিরিয়ে আনেন। গত রবিবার (১৬ আগস্ট) রাতে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে লাশ দুটি বাংলাদেশে আনা হয়। পরে বিজিবি ও বিএসএফের সহযোগিতায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মারা যাওয়া দুজন হলেন গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার হাবিবুর রহমান (৫৮) ও কালীগঞ্জ এলাকার বিল্লাল মাঝি (৫০)।
ইমিগ্রেশন ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ১৫ জুন দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান হাবিবুর রহমান ও বিল্লাল মাঝি। তাদের সঙ্গে ছিলেন বন্ধু আবু নাহিদ (৪৫)। ভারতে যাওয়ার পর দুজনই কলকাতার এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৯ আগস্ট রাত ৯টা ১৫ মিনিটে লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত বিল্লাল মাঝির মৃত্যু হয়। বন্ধুর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই পরদিন ১০ আগস্ট রাত ৭টা ৪৭ মিনিটে স্ট্রোকজনিত জটিলতায় মারা যান হাবিবুর রহমান। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বন্ধুর মৃত্যুতে ভারতে থাকা তাদের স্বজন ও সঙ্গীদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। পরে তাদের সঙ্গে থাকা বন্ধু আবু নাহিদ ভারতে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর লাশ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় লাশ দুটি দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে এসে পৌঁছায়। এ সময় বিজিবি ও বিএসএফের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় আইনি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পরে লাশ দুটি তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের উপ-পরিদর্শক তারিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সমস্ত আইনি ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
দুই বন্ধুর একসঙ্গে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া, সেখানে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাদের মৃত্যু এবং শেষ পর্যন্ত একই সীমান্তপথে দেশে ফিরে আসার ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Share with