৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
spot_img
Homeবীমা সংবাদআলমডাঙ্গায় ট্যাপেন্টাডল-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

আলমডাঙ্গায় ট্যাপেন্টাডল-ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪




আলমডাঙ্গা অফিস:

আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক দুটি অভিযানে ৪৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন আইনগত সংঘাতে জড়িত শিশু রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জোড়গাছা থেকে ভোলারদাইড়গামী সড়কের জলি ব্রিজের ওপর অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শুক্রবার রাত ১টার দিকে বড় গাংনী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন জোড়গাছা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে সোনা মিয়া (২০), বন্দরমোড় নান্দবার গ্রামের মৃত মান্নানের ছেলে সোনা মিয়া (২০), বড় গাংনী পূর্বপাড়ার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে সাঈদ আলী (৩৪) এবং বড় গাংনী দোসরমোড় এলাকার ইকবাল হোসেন ওরফে স্বপনের ছেলে আইনগত সংঘাতে জড়িত শিশু আল নাইম (১৭)।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ঘোলদাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই গোলাম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জলি ব্রিজের ওপর অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এ অভিযানে সোনা মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতার সোনা মিয়াসহ আরও পাঁচজন এবং অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আটজনের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি, হেফাজতে রাখা, পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট মামলাটি ১৬ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, শুক্রবার রাতে বড় গাংনী বাজার পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বড় গাংনী মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাইফুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে বড় গাংনী-হাটবোয়ালিয়া সড়কে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আরও দুইজনসহ অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি, হেফাজতে রাখা, পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট মামলাটি ১৭ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান নিয়মিত চলছে। মাদক বিক্রেতা, সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও প্রয়োজন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Share with