
বিশেষ প্রতিনিধি
রাজনীতি কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, মানুষের আস্থা অর্জন, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার এক নিরন্তর অঙ্গীকার—এমন প্রত্যয় নিয়ে নিলখী ইউনিয়নের মানুষের পাশে থাকতে চান মোশাররফ হোসেন সৈকত ভান্ডারী। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিলখী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি তিনি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশী হিসেবে এলাকাবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন মরহুম আবুল হাসেম চেয়ারম্যানের এই সন্তান।
স্থানীয় রাজনীতিতে সৈকত ভান্ডারী নিজেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত একজন কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন—গরিব-দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা। তিনি মনে করেন, মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি।
স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জনকল্যাণমূলক রাজনীতিতে এগিয়ে যেতে চান বলে জানান সৈকত ভান্ডারী। তাঁর ভাষায়, “সেলিম ভূঁইয়া এমপি মহোদয় তাঁর কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। আমি তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে মাটি ও মানুষের জন্য রাজনীতি করি। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি অঙ্গীকারবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, নিলখী ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, তাঁদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সহযোগিতা করা এবং জনসেবার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। সমাজ থেকে অন্যায়-অবিচার দূর করে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর জনপদ গড়ে তুলতে তিনি কাজ করতে চান।
মরহুম আবুল হাসেম চেয়ারম্যানের সন্তান হিসেবে পারিবারিক পরিচয়ের পাশাপাশি মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে পুঁজি করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা তাঁর। আসন্ন নিলখী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পেতে তিনি এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সৈকত ভান্ডারীর প্রত্যাশা, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার এবং জনকল্যাণের প্রত্যয় নিয়ে তিনি নিলখী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন। তাঁর কাছে রাজনীতির সার্থকতা শুধু পদ-পদবিতে নয়, বরং মানুষের ভালোবাসায় জায়গা করে নেওয়া এবং তাঁদের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার মধ্যেই থাকতে চাই ।সংবাদ সংগ্রহ সাংবাদিক ডিউক।



